মুসলমান জাতির জন্য এক অশেষ রহমত হল কুরবানি।
আসুন যেনে নেই কুরবানির কিছু তথ্য।
-সংগ্রিহিত-
কুরবানির ইতিহাস:
আমাদের নবি হযরত ইব্রাহিম (সাঃ) এর কোন সন্তান ছিল না। ইব্রাহিম (সাঃ) এর যখন ৮০বছর বয়স হয় তখন তার ঘরে পুত্রসন্তান ইসমাঈল (সাঃ) এর জন্ম হয়। ইসমাঈল (সাঃ) জন্মগ্রহন করার পর থেকে ইব্রাহিম (সাঃ) তার পুত্রকে অনেক যত্ন করা শুরু করে। তিনি তার পুত্রকে অনেক ভালবাসতেন। সব সময় পুত্রকে নিয়ে বেস্ত থাকতেন।
তখন ফেরেস্তারা আল্লাহকে বলেন। ইব্রাহিম (সাঃ) এখন তার পুত্রকে নিয়ে বেস্ত থাকে। ইব্রাহিম (সাঃ) আপনাকে ভুলে যাচ্ছে। তখন আল্লাহ ইব্রাহিম (সাঃ) এর পরীক্ষা নেয়ার কথা বলেন।
তারপর আল্লাহ স্বপ্নে ইব্রাহিম (সাঃ) কে কুরবানি দেয়ার কথা বলেন।
স্বপ্ন দেখার পর ইব্রাহিম (সাঃ) পশু কুরবানি দেন।
কিন্তু আল্লাহ আবার স্বপ্নে ইব্রাহিম (সাঃ) কে তার প্রিয়ো বস্তু কুরবানি দিতে বলেন।
এবার স্বপ্ন দেখার পর ইব্রাহিম (সাঃ) ভাবতে থাকেন কি তার প্রিয় বস্তু।
আনেক ভাবার পর এবার তিনি বুঝতে পারেন আল্লাহ তার পুত্র সন্তানকে কুরবানি দেয়ার কথা বলছেন।
তখন তিনি তার পুত্রকে কুরবানি দেয়ার জন্য নিয়ে যান। কিন্তু যখনি তিনি তার পুত্রকে কুরবানি দিতে যান, আল্লাহর কুদরতে একটি দুম্বা কুরবানি হয়ে যায়।
ইব্রাহিম (সাঃ) আল্লাহর পরীক্ষায় পাশ করেন। আর তখন থেকে এই কুরবানির শুরু।
কুরবানি দেয়ার কারণ:
১.কুরবানি দেয়ার মুল কারণ হল আল্লাহকে খুশি করা।
২.আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়া।
কুরবানির নিয়ম এবং বিতরন:
কুরবানি দেয়ার আগের নিয়ম,
ঈদের নামায যামাতের সাথে পরার পর। প্রথমে কুরবানির পশুকে ভালমতন গসুল করাতে হবে। কুরবানি দেয়ার সময় সমতল স্থান বেছে নেয়া ভাল। যে স্থানে কুরবানি দেয়া হবে সেখানটা অবশ্যই পরিষ্কার হতে হবে। কুরবানি মসজিদের হুজুর দেয়ে করান উচিত। কারন হুজুর ইসলামিক নিয়ম মেনে সঠিক নিজমে কুরবানি করবেন।
কুরবানি দেয়ার পরের নিয়ম,
কুরবানি দেয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব পশুর গোশত থেকে চামরা ছারিয়ে নেয়া ভাল। পশুর রক্ত জমাট বাধার আগে অবস্যই পানি দিয়ে রক্ত পরিষ্কার করতে হবে। তারপর নিজেদের সুবিধামতন কুরবানির পশুর গোশত কেটে নিতে হিবে। কুরবানির পশুর ময়লা আবর্জনা দ্রুত পরিষ্কার করা উচিৎ।
গশত বিতরন,
কুরবানির পশুর গশত কাটার পরে হাদিস অনুযায়ী ৩ভাগ করতে হয়।
১.গরিব মিস্কিনের।
২.আত্তীয় স্বজনের।
৩.নিজেদের।
-সংগ্রিহিত-